চশমা পরে সাকিবের ব্যাটিং, মেলেনি সমাধান

 

চশমা পরে সাকিবের ব্যাটিং, মেলেনি সমাধান

সমাধান মেলেনি সাকিবের, চশমা ব্যবহার করেও খুব একটা উপকার হয়নি তার। তাই চোখের চিকিৎসা করাতে আজই লন্ডনে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার

বিপিএলের দল রংপুর রাইডার্সের অনুশীলন, সেখানে হাজির সাকিব আল হাসান। বিশ্বের অন্যতম অলরাউন্ডারকে নিয়ে এমনিতেই তুমুল আগ্রহ থাকায় তার দিকে সবার দৃষ্টি থাকেই। আজ তাকে দেখার আগ্রহটা আরও বাড়লো। যারা দেখলেন, বিস্ময় ভরা কণ্ঠে বলে উঠলেন, 'আরেহ, এ তো সাকিব আল হাসান।' এমন বিস্ময়ের কারণ তার ভিন্ন 'রূপ'। 

এদিন চশমা পরে অনুশীলনে আসেন সাকিব। রোদচশমা হলে বিস্ময়ের কিছু ছিল না, প্রায়ই তা পরে থাকেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। সাধারণ চশমা (পাওয়ার বসানো চশমা) এটা, যা পরে তিনি ব্যাটিং করে গেলেন আধা ঘণ্টার মতো। চোখের সমস্যায় ভুগছেন সাকিব, সমাধান পেতে চমশা চোখে তুলতে হয়েছে তাকে। 

চশমা পরেই মাঠে নামেন সাকিব। মাঠে নামা থেকে শুরু করে নক করার পুরোটা সময় সাকিবের খুব কাছে ছিলেন বিসিবির চিকিৎসক মঞ্জুর হোসেন চৌধুরী। খুব কাছে থেকে সাকিবকে পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি, বুঝতে চেষ্টা করেছেন চশমা ব্যবহারে সম্ভাব্য সমাধান মিলছে কিনা অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের। 

যদিও আশার খবর নেই, সমাধান মেলেনি সাকিবের। রংপুর রাইডার্স সূত্রে এমনটিই জানা গেছে। চশমা ব্যবহার করেও খুব একটা উপকার হয়নি তার। তাই চোখের চিকিৎসা করাতে আজই লন্ডনে যাচ্ছেন সাকিব, বিপিএল শুরুর আগেই ফেরার কথা তার। বিসিবির মেডিকেল বিভাগে সূত্র জানিয়েছে এটা। 

গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও চোখের সমস্যা সাকিবকে ভুগিয়েছে। এ কারণেই চেন্নাইয়ে চিকিৎসক দেখান তিনি। যদিও সে সময় আনুষ্ঠানিকভাবে তার সমস্যার কথা জানা যায়নি। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে চোখের সমস্যায় ভুগেছেন তিনি। ব্যাটিংয়ের সময় বলা দেখা নিয়ে খুবই অস্বস্তিবোধ করতে হয়েছে তাকে। 

বিসিবির মেডিকেল বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চেন্নাইয়ে চিকিৎসক দেখানোর পর সাকিবকে চোখের ড্রপ দেওয়া হয়। তবে সেই ড্রপ কাজে আসেনি। 'স্ট্রেস' থেকে সাকিবের চোখের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকরা। চাপ কমে গেলে সমস্যা কমে যাবে বলেও জানানো হয়। চোটের কারণে বিশ্বকাপের শেষ অংশে ছিটকে যান সাকিব, যুক্তরাষ্ট্রে যান পরিবারের কাছে। 

চাপ কমলেও তার চোখের সমস্যা দূর হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে আবারও চিকিৎসক দেখান সাকিব। যদিও তার চোখে কোনো সমস্যা খুঁজে পায়নি চিকিৎসকরা। চাপ ছিল না বলেই চোখের সমস্যা পাওয়া যায়নি বলে ধরে নেওয়া হয়। এরপর নির্বাচনের মাঠে তুমুল ব্যস্ত থাকতে হয় সাকিবকে। ব্যস্ততা, চাপে আবারও চোখের সমস্যা ফিরে আসে তার। আজ চমশা পরেও সমাধান পেলেন না, তাই লন্ডনে ছুটছেন মাগুরা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তারকা এই অলরাউন্ডার। 

Source By>>

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহে ভোগান্তি জনজীবনে

 

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহে ভোগান্তি জনজীবনে



আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।



পৌষের বিদায় বেলায় জেঁকে বসেছে শীত। হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপটও বেড়েছে। আর এর প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এ ছাড়া ঠান্ডায় শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডা জনিত নানা রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে।


আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নওগাঁর বদলগাছীতে রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অধিদপ্তরের শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এই অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।

দিনাজপুর: কুয়াশার দাপটে সূর্য উধাও হয়ে গেছে। ১০ জানুয়ারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পুরো জেলা। সকাল ১০টা পর্যন্ত যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশাদুজ্জামান জানান, শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই চলতি শীত মৌসুমে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এর আগে চলতি পৌষ জুড়ে জেলায় তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছিল।  

এদিকে কুয়াশার দাপট আর হাড় কাঁপানো কনকনে হিম শীতের প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষদের কাজ করতে হচ্ছে দুর্ভোগের মধ্যে।  


নওগাঁ:  উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কনকনে তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর দরিদ্র অসহায় মানুষ। ক্ষতির মুখে পড়েছে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরা বীজতলা।

নওগাঁর বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া অফিসে উচ্চ পর্যবেক্ষক কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ বলেন, শনিবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঘন কুয়াশার কারণে ইরি-বোরো বীজতলা লাল বর্ণ ধারণসহ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকায় জেলায় লাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

শীতে লোকজন ঘর থেকে কম বের হওয়ায় আয় অর্ধেকে নেমেছে খেটে খাওয়া দিনমজুরদের। এর ফলে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

কৃষি শ্রমিকরা কাজ করতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো চাষাবাদ।



ইরি-বোরো চাষি আনোয়ার হোসেন জানান, ঘন কুয়াশা দীর্ঘায়িত হলে বীজতলা নষ্ট হয়ে যেতে পারে ।সেক্ষেত্রে ইরি বীজ কিনে রোপণ করতে হবে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) খলিলুর রহমান জানান, জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আর বোরো জমিতে রোপণের জন্য বীজতলা তৈরি করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে। ঘন কুয়াশার কারণে কিছু কিছু এলাকায় বীজতলা ক্ষতির মুখে পড়েছে তবে কুয়াশা দীর্ঘায়িত না হলে বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি হবে না।

তিনি দিনে বেলা বীজতলা ঢেকে রাখা, সন্ধ্যার পর পানিতে ডুবিয়ে রাখা এবং এসব বীজতলায় ইউরিয়া, পটাশ সার ছিটানোর পরামর্শ দেন।

একই আলু ও সরিয়া ক্ষেতে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুসারে কীটনাশক স্প্রে, আলুর ক্ষেতে পানি দেওয়ারও পরামর্শ দেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

এদিকে জেলা সদরের রিকশাভ্যান চালক মোবারক আলী জানান, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে লোকজন ঘর থেকে বেরোতে পারছেন না। অন্যদিকে যাত্রী কমে যাওয়ায় তাদের আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক গোলাম মওলা জানান, জেলায় সরকারিভাবে  ৯৯ ইউনিয়ন ও ৩ পৌরসভায় ১ লাখ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।



চুয়াডাঙ্গা: জেলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, শনিবার সকাল ৬টায় জেলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।



তীব্র শীতে শহরে মানুষের উপস্থিতি কম। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে আসছেন না। তবে পেটের তাগিদে দিনমজুর শ্রেণির মানুষদের কাজের সন্ধানে ঘরের বাইরে আসতে হয়েছে। রিকশা ভ্যানচালকরা আশানুরূপ যাত্রী পাননি।


দ্বিতীয় দিনের মত জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এখন মাঠে বোরো মৌসুমে কাজ। শীতের কারণে কৃষকরা কৃষকরাও মাঠে কাজে যেতে পারছেন না বা দেরিতে মাঠে যাচ্ছেন।

শীতজনিত রোগবালাইও বেড়েছে। প্রতিদিনই শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ আসছেন হাসপাতালে।

সদর উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বলেন, “কদিন ধরে হঠাৎ করেই শীত জেঁকে বসেছে। আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারছি না। বেচাকেনা কমে গেছে।”


লালমনিরহাট: পৌষের শেষে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় লালমনিরহাটের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিশেষ করে নদী চরাঞ্চল এবং তীরবর্তী লোকালয়ের মানুষ ঠান্ডার প্রকোপে স্থবির হয়ে পড়েছে।

রংপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, শনিবার সকাল ৮টায় লালমনিরহাটের তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

গত ৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় তীব্র শীতে ভোগান্তি বেড়েছে জনজীবনে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা-ঘাট ও লোকালয়। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাসে জবুথবু অবস্থা বিরাজ করছে মানুষের।



কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে নিম্ন আয়ের লোকজনের। রাতে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছে বয়স্ক ও শিশুরা।

জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা তিস্তা পাড়ের বারঘরিয়া গ্রামের আজাদুর রহমান (৫২) বলেন, “ঠান্ডাত কষ্টের আর শ্যাষ নাই। ঠান্ডাত আবাদ সুবাদ সউগ শ্যাষ হয়া যাবার নাগছে! ঠান্ডাত জীবন বাঁচে না, আর কি কাম করমো।”

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, “এখন পর্যন্ত জেলায় পাঁচটি উপজেলায় ২৪ হাজার কম্বল বিতরণের জন্য পাঠানো হয়েছে। সেগুলো বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।”


রংপুর: রংপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ রংপুর ছাড়াও বিভাগের সৈয়দপুর, তেঁতুলিয়া দিনাজপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। একই সঙ্গে স্থানভেদে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে।

আরও কমপক্ষে ২ দিন এমন তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে মেঘের আনাগোনার সঙ্গে সঙ্গে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

জেলায় ভোর আর সন্ধ্যায় গ্রামে গ্রামে জটলা বেঁধে আগুন পোহানোর মাধ্যমে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে অনেকেই। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের উষ্ণতা নিতে গিয়ে কোথাও কোথাও ঘটছে অগ্নিদগ্ধের ঘটনাও।

কেউ কেউ শীত নিবারণে গরম পানি ব্যবহার করতে গিয়েও দগ্ধ হচ্ছেন।


রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ দিনের ব্যবধানে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। দগ্ধ রোগীদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

এদের মধ্যে বার্ন ইউনিটে ১৩ জন এবং বাকি ৩২ জনকে সার্জারি, শিশু ও মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. শাহ মো. আল মুকিত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চিকিৎসাধীন বেশির ভাগ রোগীই শীতের তীব্রতা থেকে উষ্ণতা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়েছেন। প্রতি শীত মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিদগ্ধের এমন ঘটনা ঘটে।


বর্তমানে বার্ন ইউনিটসহ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রংপুরের বাইরে বিশেষ করে দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁওয়ে এই অগ্নিদগ্ধের ঘটনা বেশি ঘটছে।

এছাড়া,  গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হওয়া এক বৃদ্ধা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। 


ঠাকুরগাঁও: উত্তরের এই জেলায় অব্যাহত রয়েছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাসে বেড়েছে ঠান্ডা। আর এই ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে ছিন্নমূল মানুষেরা।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

“এটিই চলতি শীত মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।” 

তিনি বলেন, “ঘন কুয়াশায় ধানে বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে; আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের নানা ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছে বীজতলা রক্ষার জন্য।” 

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনাজপুরে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহে ভোগান্তি জনজীবনে

অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহে নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবনযাত্রা থমকে গেছে। কাজকর্মে গতি কমে যাওয়ায় অনেকের রোজগার কমে গেছে। 

জেলা শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার রিকশাচালক আবু মণ্ডল বলেন, আগে ভোর বেলা রিকশা নিয়ে বের হতাম। এখন শীতে ভোরে রিকশা বের করতে পারছি না। অন্যদিকে রিকশায় ঠান্ডা বেশি লাগায় যাত্রীও কম পাচ্ছি। এ কারণে আয়-রোজগার কমে গেছে। 

সদরের জগন্নাথপুর ইউনিয়নের খোচাবাড়ি এলাকা থেকে জেলা শহরের চৌরাস্তায় কাজের অপেক্ষায় থাকা দিনমজুর নজরুল ইসলাম বলেন, “ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার তানে ৫ দিন ধরে কুন কাজ পাউনি। ঠান্ডার তানে আয় রোজগারও কমে গেইছে। স্ত্রী, ছুয়া নিয়া কষ্টে দিন যাছে।” 

শহরের বাসস্ট্যান্ডে এলাকার ট্রাক চালক আরিফ হোসেন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলতায় এবার ঠাকুরগাঁওয়ে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি; সঙ্গে ঠান্ডা হাওয়া। ঘন কুয়াশায় দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। শীতে গাড়ি চালানো কষ্টকর হয়ে গেছে। 

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। সরকার থেকে পাওয়া ৩৬ হাজার কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। কম্বলের চাহিদা আরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বার্তা পাঠানো হয়েছে।


Source by>>https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/b4j1kziprx


The BEST Pot Roast Recipe Ever!

 Here's a delicious pot roast recipe that I'm sure you'll love:

Ingredients:

  • 1 (3-4 pound) beef chuck roast
  • 2 tablespoons olive oil
  • 1 onion, chopped
  • 3 cloves garlic, minced
  • 2 cups beef broth
  • 1 cup red wine
  • 2 bay leaves
  • 1 teaspoon dried thyme
  • 1 teaspoon dried rosemary
  • Salt and black pepper, to taste
  • 4 large carrots, peeled and chopped
  • 4 celery stalks, chopped
  • 1 pound baby potatoes, halved
  • 1 tablespoon cornstarch
  • 2 tablespoons water
  • Chopped fresh parsley, for garnish

Instructions:

  1. Preheat your oven to 325°F (165°C).

  2. Season the beef roast with salt and pepper. Heat the olive oil in a large Dutch oven or oven-safe pot over medium-high heat. Add the beef roast and sear on all sides until browned. Remove the beef from the pot and set aside.

  3. Add the chopped onion and minced garlic to the same pot and cook until softened about 3-4 minutes.

  4. Pour in the beef broth and red wine and stir to combine. Add the bay leaves, thyme, and rosemary, then return the beef roast to the pot. Bring the liquid to a simmer, then cover the pot with a lid.

  5. Transfer the pot to the preheated oven and cook for 2 hours.

  6. Add the chopped carrots, celery, and potatoes to the pot and stir to combine. Return the pot to the oven and continue cooking for 1-2 hours, or until the beef is tender and the vegetables are cooked through.

  7. In a small bowl, whisk together the cornstarch and water until smooth. Remove the pot from the oven and transfer the beef and vegetables to a serving platter. Discard the bay leaves.

  8. Place the pot with the remaining liquid over medium-high heat on the stovetop. Add the cornstarch mixture and stir until the liquid has thickened into a gravy.

  9. Pour the gravy over the beef and vegetables. Garnish with chopped fresh parsley and serve hot. Enjoy your delicious pot roast!

আমরা সবাই শেষ, এক্কেবারে শেষ'

আমরা সবাই শেষ, এক্কেবারে শেষ'

'সবাই শেষ, এক্কেবারে শেষ; কেউ কিচ্ছু বের করতে পারে নাই'
ভয়াবহ আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে বঙ্গবাজার মার্কেট

More Info>>>

সাকিব খেলবেন না আইপিএলে।

 টাকা লোভি সাকিব এবার দেশের জন্য কোটি টাকা বিসর্জন দিলেন খেলবেন না আইপিএলে।


আইপিএলের শুরুর দিকে আয়ারল্যান্ড সিরিজ থাকায় আইপিএলে যেতে পারছেন না বিসিবির কারনে
আইপিএলের শেষের দিকে আবারো আয়ারল্যান্ড সিরিজ থাকায় সেখানেও খেলতে পারবেন না বিসিবির কারনে
তাই এবার আইপিএলকেই না বলে দিলেন সাকিব চুক্তি অনুযায়ী কোলকাতার থেকে টাকা নেয়ার সুযোগ থাকলেও সাকিব কোলকাতাকে সেই চাপ দেন নি
নেন হেটার সাকিব এবার দেশের জন্য কোটি টাকা বিসর্জন দিলেন!
খুশি?

চশমা পরে সাকিবের ব্যাটিং, মেলেনি সমাধান

  চশমা পরে সাকিবের ব্যাটিং, মেলেনি সমাধান সমাধান মেলেনি সাকিবের, চশমা ব্যবহার করেও খুব একটা উপকার হয়নি তার। তাই চোখের চিকিৎসা করাতে আজই লন্ড...